" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory মেদিনীপুর সমবায় ব্যাঙ্ক নির্বাচনে তৃণমূলের হামলা: পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন, সিপিআই(এম)-এর ক্ষোভ কোর্টের নির্দেশে মনোনয়ন পেশ //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

মেদিনীপুর সমবায় ব্যাঙ্ক নির্বাচনে তৃণমূলের হামলা: পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন, সিপিআই(এম)-এর ক্ষোভ কোর্টের নির্দেশে মনোনয়ন পেশ

 




মেদিনীপুর পিপলস কো-অপারেটিভ সমবায় ব্যাঙ্কের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। বৃহস্পতিবার এই নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলাকালীন বামপন্থী প্রার্থীদের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের দ্বারা হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে, যখন তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও কোনো হস্তক্ষেপ করেনি বলে জানা গেছে।


সিপিআই(এম) সূত্রে জানা গেছে, তাদের চারজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে ব্যাঙ্কের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় তৃণমূলের একদল কর্মী তাদের গতিরোধ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তৃণমূল সমর্থকরা প্রার্থীদের লক্ষ্য করে গালিগালাজ শুরু করে এবং পরে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে। এই হামলায় কয়েকজন প্রার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে, যদিও গুরুতর আঘাতের খবর এখনও পাওয়া যায়নি। তবে, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয় বাম নেতৃত্ব ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।


এই ঘটনার পটভূমিতে রয়েছে হাইকোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে সিপিআই(এম) আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশে বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, এবং এরই মধ্যে বামপন্থী প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে সক্ষম হন। কিন্তু তৃণমূলের এই হামলার ঘটনায় নির্বাচনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


সিপিআই(এম)-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা ভয় আর সন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে চায়। মেদিনীপুরে যা ঘটেছে, তা তাদের অগণতান্ত্রিক মনোভাবের প্রকাশ। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা আরও প্রমাণ করে যে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।” তিনি দাবি করেছেন, এই হামলার পেছনে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের মদত রয়েছে, এবং এর জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।


অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বামপন্থীরা নিজেরাই উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেছে, এবং তাদের কর্মীরা কেবল প্রতিরোধ করেছে। তবে, এই দাবির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তারা এখনও উপস্থাপন করতে পারেনি।


পুলিশের তরফে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচন যে শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের লড়াই নয়, বরং রাজনৈতিক আধিপত্যের প্রতিফলন, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আগামী দিনে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কী ঘটে, সেদিকে নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।



Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies